বিয়ে হওয়া না হওয়া তাকদীরের বিষয়

বিয়ে হওয়া না হওয়া তাকদীরের বিষয়। আল্লাহ যার ভাগ্যে বিবাহ লিখে রেখেছে পৃথিবীর সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করেও তার বিবাহ কেউ ঠেকাতে পারবেনা। আর যার ভাগ্যে কোন জীবনসঙ্গী নাই পৃথিবীর সবাই চেষ্টা করেও তার বিবাহ দিতে পারবেনা। তাকদীর অনুযায়ী আমাদের জীবন পরিচালিত হয়।
সমাজের কিছু লোককে দেখা যায় যাদের বিবাহ হচ্ছেনা তাদের নিয়ে তুচ্ছ, তাচ্ছিল্য, হাসি তামাশা শুরু করে। অথচ আমাদের উচিত নয় অপর কোন মুসলিম ভাই বা বোনকে নিয়ে ব্যংগ করা। তাকদীরের ফয়সালা অনুযায়ী তার হয়তো দেরিতে বিবাহ হবে, আবার না ও হতে পারে। কারো তাকদীরের বিষয় নিয়ে তাকে অপমান করা মারাত্নক গুনাহ। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে মেয়ের বিয়ে হচ্ছেনা দেখে এই জন্য গর্ভধারীনী মা নিজ মেয়েকে নামাজ রত অবস্থায় হত্যা করল। কতটা নিচে নেমে গিয়েছি আমরা। জাহেলি যুগকেও হার মানায়।
অনেকের ধারণা প্রত্যেকের জন্য আল্লাহ জীবনসঙ্গী নির্ধারণ করে রেখেছেন। তাদের এ ধারণা ভুল। অনেকে বিয়ের আগেই মারা যাচ্ছে। অনেকে বিয়ের পরে ডিভোর্স। অনেক বড় বড় আলেম এমনকি সাহাবীদের তাকদীরে ও বিবাহ ছিলনা। হযরত রাবেয়া বসরি অবিবাহিত ছিলেন। তাই বলে কি তারা ব্যর্থ? তারা জান্নাতে যাবে না?