ফজর নামাজে উঠতে পারতেন না। এটা নিয়ে তার আফসোসও ছিল অনেক। কিন্তু কোনভাবেই কিছু হচ্ছিল না। তাকে বলা হলো, আপনি তাহাজ্জুদের সময় উঠেন। নামাজ পড়া লাগবে না। কেবল দুআ করেন, আল্লাহ যেন এই দুর্বলতাটা দুর করে দেন। এরপর আবার ঘুমিয়ে যান। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যাপার। এই ভাই নিজ মুখে বলেছেন, রাতে এখন কোন কারনে অনেক দেরি করে ঘুমালেও ফজরের সময় তার এমনিতেই ঘুম ভেঙে যায়। আরেক ভাই বহুদিন ধরে অসুস্থ। বড় কোন রোগ না। তবে ছোট রোগগুলোও একটার পর একটা লেগে থাকে। তাকেও একই প্রেসক্রিপশনই দেয়া হয়েছিল। আলহামদুলিল্লাহ তার অবস্থার আজ অনেক পরিবর্তন। প্রতিকুল অবস্থাকে অনুকুলে আনার একচ্ছত্র ক্ষমতা যেই মহান রবের, সেই রব নিজে তাহাজ্জুদের সময় ডাকতে থাকেন- -আছে কোন প্রার্থনাকারী, আমি তার প্রার্থনা কবুল করবো। – আছে কোন অসুস্থতা থেকে মুক্তি চাচ্ছে এমন কেউ, আমি তাকে আরোগ্য দান করবো। – আছে কেউ ক্ষমাপ্রার্থী, আমি তাকে ক্ষমা করবো। – (সহিহ বুখারী) হয়তো এই পোস্টের শুরু অংশে আমাদের অনেকের মনে অবিশ্বাসের দানা বাঁধতে পারে, কত কিছু করলাম কিছু হলো না, তাহাজ্জুদে দুআ করলেই প্রবলেম সলভ হবে? উত্তর সহজ- “নিশ্চয়ই ঈমানদারেরা একমাত্র আল্লাহর উপরই ভরসা করে।”- সুরা তাওবা।

© সানিন ভাই।

 

আইডিসির সাথে যোগ দিয়ে উভয় জাহানের জন্য ভালো কিছু করুন!

আইডিসি এবং আইডিসি ফাউন্ডেশনের ব্যপারে  জানতে  লিংক০১ ও লিংক০২ ভিজিট করুন।

আইডিসি  মাদরাসার ব্যপারে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

আপনি আইডিসি  মাদরাসার একজন স্থায়ী সদস্য /পার্টনার হতে চাইলে এই লিংক দেখুন.

আইডিসি এতীমখানা ও গোরাবা ফান্ডে দান করে  দুনিয়া এবং আখিরাতে সফলতা অর্জন করুন।

কুরআন হাদিসের আলোকে বিভিন্ন কঠিন রোগের চিকিৎসা করাতেআইডিসি ‘র সাথে যোগাযোগ করুন।

ইসলামিক বিষয়ে জানতে এবং জানাতে এই গ্রুপে জয়েন করুন।