বিয়ে একটি বিশাল নেয়ামত। আল্লাহ্‌ বিয়ের পর রিজিক বাড়িয়ে দেন, বরকত ও বৃদ্ধি করেন। আপনি আপনার আশেপাশের অনেকের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন। এটা সত্য। বিশাল সত্য। 🙂 আল্লাহ্‌ সুবহানাতাআলা সুরা আন-নূর এর ৩২ নাম্বার আয়াতে বলেছেনঃ وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ . “তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।” Marry those among you who are single, or the virtuous ones among yourselves, male or female: if they are in poverty, Allah will give them means out of His grace: for Allah encompasseth all, and he knoweth all things. . ক্যারিয়ার দাঁড়ানোর পর জীবনসঙ্গী না খুঁজে যদি আপনার নিজের স্ট্রাগল করার সময়টা আপনার বউ দেখতে পায় তাইলে আপনার প্রতি তার শ্রদ্ধা অনেকাংশেই বেড়ে যায়। তাই ক্যারিয়ার নিয়ে অযথা হা হুতাশ না করে মহান আল্লাহ্‌র প্রতি রুজু হয়ে উনার রহমতের ভরসা রাখেন। . ইনশাআল্লাহ্‌ আপনি কামিয়াব হবেন <3

 বিবাহের সুন্নাত সমূহঃ-

১) মাসনূন বিবাহ সাদাসিধে ও অনাড়ম্বর হবে, যা অপচয়, অপব্যয়, বেপর্দা ও বিজাতীয় সংস্কৃতি, গান-বাদ্য, ভিডিও-অডিও মুক্ত হবে এবং তাতে যৌতুকের শর্ত বা সামর্থ্যের অধিক মোহরানার শর্ত থাকবে না। (তাবরানী আউসাত, হাদীস নং- ৩৬১২) ২) সৎ ও খোদাভীরু পাত্র-পাত্রীর সন্ধান করে বিবাহের পয়গাম পাঠানো। কোন বাহানা বা সুযোগে পাত্রী দেখা সম্ভব হলে, দেখে নেয়া মুস্তাহাব। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘটা করে পাত্রী দেখানোর যে প্রথা আমাদের সমাজে প্রচলিত, তা সুন্নাতের পরিপন্থী ও পরিত্যাজ্য। (ইমদাদুল ফাতাওয়া, ৪: ২০০/বুখারী হাদীস নং- ৫০৯০) ৩) শাওয়াল মাসে এবং জুমু‘আর দিনে মসজিদে বিবাহ সম্পাদন করা। উল্লেখ্য, সকল মাসের যে কোনদিন বিবাহ করা জায়েয আছে। (মুসলিম, হাদীস নং- ১৪২৩/ বাইহাকী, হাদীস নং- ১৪৬৯৯) ৪) বিবাহের খবর ব্যাপকভাবে প্রচার করে বিবাহ করা এবং বিবাহের পরে আকদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত লোকদের মাঝে খেজুর বণ্টন করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৫১৪৭) ৫) সামর্থ্যানুযায়ী মহর ধার্য করা। (আবু দাউদ: হাদীস নং- ২১০৬) ৬) বাসর রাতে স্ত্রীর কপালের উপরের চুল হাতে নিয়ে এই দু‘আ পড়াঃ اَللّهُمَّ إنِّيْ أسْألُكَ مِنْ خَيْرِهَا وَخَيْرِ مَا جَبَلْتَ عَلَيْهِ . وأعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ مَا جَبَلْتَ عَلَيْهِ. (আবু দাউদ, হাদীস নং- ২১৬০) ৭) স্ত্রীর সঙ্গে প্রথমে অন্তরঙ্গতা সৃষ্টি করবে, তারপর যখনই সহবাস-এর ইচ্ছা হয়, তখন প্রথমে নিম্নোক্ত দু‘আ পড়ে নেবেঃ بِسْمِ اللّهِ اَللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطانَ مَا رَزَقْتَنَا. (মুসলিম, হাদীস নং- ১৪৩৪)  বি.দ্র. উপরোক্ত দু‘আ না পড়লে শয়তানের তাছীরে বাচ্চার উপর কু-প্রভাব পড়ে। অতঃপর সন্তান বড় হলে, তার মধ্যে ধীরে ধীরে তা প্রকাশ পেতে থাকে এবং বাচ্চা নাফরমান ও অবাধ্য হয়। সুতরাং পিতা-মাতাকে খুবই সতর্ক থাকা জরুরী। ৮) বাসর রাতের পর দু’হাতে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং গরীব-মিসকিনদের তাওফীক অনুযায়ী ওলীমা খাওয়ানোর আয়োজন করা। (মুসলিম, হাদীস নং- ১৪২৭)  বি.দ্র. (ক) কোন পক্ষ যেওরের শর্ত করা নিষেধ এবং ছেলের পক্ষ থেকে যৌতুক চাওয়া হারাম। (আহসানুল ফাতাওয়া, ৫: ১৩) (খ) কনের ইযন-এর জন্য সাক্ষীর কোন প্রয়োজন নাই। সুতরাং ছেলের পক্ষের লোক ইযন শুনতে যাওয়া অনর্থক এবং বেপর্দা, সুতরাং তা নিষেধ। মেয়ের কোন মাহরাম বিবাহের উকিল হওয়ার অনুমতি নিবে। (মুসলিম, হাদীস নং- ১৪২১) (গ) শর্ত আরোপ করে বরযাত্রীর নামে বরের সাথে অধিক সংখ্যক লোকজন নিয়ে যাওয়া এবং কনের বাড়ীতে মেহমান হয়ে কনের পিতার উপর বোঝা সৃষ্টি করা আজকের সমাজের একটি জঘন্য কু-প্রথা, যা সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করা আবশ্যক। (মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং- ২০৭২২/ বুখারী হাদীস নং- ২৬৯৭) (ঘ) ওলীমায় অতিরিক্ত ব্যয় করা কিংবা খুব উঁচু মানের খানার ব্যবস্থা করা জরুরী নয়। বরং সামর্থ্যানুযায়ী খরচ করাই সুন্নাত আদায়ের জন্য যথেষ্ট। যে ওলীমায় শুধু ধনী ও দুনিয়াদার লোকদের দাওয়াত করা হয়, দ্বীনদার ও গরীব-মিসকিনদের দাওয়াত করা হয় না, সে ওলীমাকে হাদীসে নিকৃষ্টতম ওলীমা বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সুতরাং এ ধরনের নিকৃষ্ট ওলীমার আয়োজন থেকে বিরত থাকা উচিত।(আবু দাউদ, হাদীস নং- ৩৭৫৪) (ঙ) ওলীমার মজলিসে হাদিয়া লেন-দেন ঠিক নয়। কেউ হাদিয়া দিতে চাইলে নিজের সুযোগ মত পাঠিয়ে দিবে, প্রচার করবে না। গোপনে দিবে, এটাই হাদিয়ার সুন্নাহ পদ্ধতি।

স্ত্রীর সাথে কেমন হতে হবে স্বামীর আচরন!

যে পুরুষ নিজের স্ত্রীর ব্যাপারে উদাসীন। যে পুরুষ স্ত্রীর নিন্দা করে,,কারনে অকারনে স্ত্রীর গায়ে হাত তোলে#যে পুরুষ ঘরে সুন্দরী স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও,পরকীয়া করে# যে পুরুষ বলে ,, স্ত্রী তার মনের মত নয়# তার কাছে আমার প্রশ্নঃ আপনি আপনার স্ত্রীর মনের মত তো? আপনি তো ঠিক মত তার হক ই আদায় করেন না,,এটা বলেন কিভাবে,স্ত্রী মনের মত নয়?
একজন স্ত্রীর যেমন কর্তব্য রয়েছে তার স্বামীর ওপর! ঠিক তেমনি,একজন স্বামীর ও দায়িত্ব,কর্তব্য রয়েছে তার স্ত্রীর ওপর! আপনি সেই কর্তব্য গুলো পালন করছেন তো?? 💠মিলিয়ে দেখুন!______””___””_______ 💜স্ত্রী কে ভালবাসা আপনার কর্তব্য! তার অন্ন,বস্ত্র ও আশ্রয় দেওয়া আপনার পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য! 💛অন্য একটি পরিবার থেকে সমস্ত মায়া মমতার বন্ধন ছিঁড়ে ,আসা এই স্ত্রী কে আপনার পরিবারের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে আপনাকেই চেষ্টা করতে হবে! স্ত্রীর সাথে আচার আচরণে এমন ব্যবহার করবেন,যেন সে বুঝতে না পারে,সে অন্য পরিবারে এসেছে! 💛স্ত্রী কে হেয় প্রতিপন্ন করে, কোন কথা বলবেন না! যাতে সে মনে আঘাত পায়! সে যদি বাবার বাসাতে যেতে চাই,যেতে দিবেন,এক জায়গায় থাকতে থাকতে মানুষ তিক্ত হয়ে যায়! 💜তার প্রতি কঠোর ব্যবহার করবেন না,, কেননা সে আপনাকে শ্রদ্ধা করে! 💜আপনি যা খাবেন, তাকেও তাই খেতে দিবেন,এবং আপনি যেই পোষাক পরবেন ,তাকেও সামর্থ্যানুযায়ী সেইরকম পোশাক পরতে দিবেন! #স্ত্রী আপনাকে যিনা ও অন্যান্য বাহ্যিক পাপ থেকে রক্ষা করে,,তাই তাকে বেশি বেশি আদর যত্ন করবেন! #স্ত্রীকে কখনোই অবহেলা করবেন না! 💜স্ত্রী কে পর্দাশীল রাখবেন নিজের হেফাজতে! # #তাকে সংসারিক কাজে স্বাধীনতা দিবেন! #মাঝে মাঝে ছোট ছোট গিফট করবেন, মেয়েরা অল্পেই তুষ্ট! #স্ত্রী কে সাথে নিয়ে ঘুরতে যাবেন,,আপনার থেকে এটা আশা করা তার পক্ষে স্বাভাবিক! #স্ত্রী কে সব সময় সত্য বলবেন,,এতে বিশ্বাস তৈরি হবে! #স্ত্রীর ছোট ছোট আবদার গুলো পূরন করবেন! #বেশি বেশি ভালবাসার কথা বলবেন! #সময় পেলে তাকে সময় দিবেন ও ছোট ছোট কাজে তাকে সাহায্য করবেন! #স্ত্রীর সাথে হাসি ঠাট্টা করবেন! #তাকে মাঝে মাঝে খাইয়ে দেবেন! ভালবাসা বাড়বে ! #তার প্রতি যত্নশীল হবেন! প্রতিটি পয়েন্ট যদি আপনি করে থাকেন,, আল্লাহ আপনার ও আপনার স্ত্রীর মধ্যে রহমত বর্ষণ করবেন! ভালবাসা বৃদ্ধি করে দিবেন! #পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে,,,, #তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এর মধ্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে সে কওমের জন্য, যারা চিন্তা করে। ( আর রুম-২১) ‌ মনে রাখবেন,,গায়ের জোরে একটি দেশ জয় করা গেলেও একটি মন জয় করা যায় না! মন জয় করতে প্রয়োজন,, প্রেম ভালবাসা! প্রেম প্রীতি ও ভালবাসাই দাম্পত্য জীবনে সুখ বয়ে আনে! তাই আপনি আপনার স্ত্রীকে বেশি বেশি ভালবাসুন ও তার প্রতি দায়িত্বশীল হয়ে উঠুন!

তিন স্ত্রী মিলে আমাকে চতুর্থ বিয়ে করিয়েছে!

জনাব শামসুদ্দিন। বয়স ৪৫ এর কোঠায়। সুঠাম দেহের অধিকারী মধ্যবয়সী সুপুরুষ। কয়েকমাস আগে দ্বীনি দাওয়াহ মিশনে সুদুর মালয়েশিয়া থেকে ভারতের কলকাতার আসেন। এশার সালাতের পর স্থানীয় মেজবানের সাথে সাক্ষাৎ হয়। মেহমান বললেনঃ দাঁতের ডাক্তার কাছে যাবেন। মেজবান রাহবর হিসেবে সাথে গেলেন। রিক্সায় উঠে তার প্রফেশন ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে আলোচনা হলো। মেহমান জানালেনঃ এবারের সফরে ৩য় স্ত্রীকে সাথে নিয়ে এসেছেন। শুনে তো মেজবান হতবাক! কয় কী রে বেটায়? মেজবান : কী! ৩য় স্ত্রী! আপনি কয়টা বিয়ে করেছেন? জনাব শামসুদ্দিন : ৪টা। (খুব খুশী হয়ে) মেজবান : তাই!!! এতগুলো বিয়ে? কীভাবে করলেন? কেন করলেন? (কন্ঠে বিস্ময় ঝড়ে পড়ছে) মেহমান : আমি করিনি! আমার স্ত্রীরাই করিয়েছে! মেজবান : মানে!!? মেহমান : প্রথম স্ত্রী করিয়েছে ২য় বিয়ে। ২য় স্ত্রী আর ১ম স্ত্রী মিলে করিয়েছে ৩য় বিয়ে। এরপর ৩ জন মিলে ৪র্থ বিয়ে করিয়েছে। মেজবান : কী বলেন! এটা কি সম্ভব? মেহমান : আমাদের দেশে এটা কোন সমস্যা না! মেজবান : ৪ জনকে নিয়ে থাকেন কীভাবে? শামসুদ্দিন: এক বাসাতেই থাকি। মেজবান : ঝগড়া হয় না? শামসুদ্দিন : নাহ! এক প্লেটে ৪ জনকে নিয়ে সবসময় খাই। মেজবান : সিরিয়াসলি?? মেহমান : হ্যাঁ! (কিযে এক হাসি দিলো!) মেজবান : ছেলে মেয়ে কয়জন আপনার? মেহমান :১৯ জন। মেজবান : সবার বড় কে? শামসুদ্দিন : আমার ছেলে। মেজবান : বয়স কত তার? ভাই শামসুদ্দিন : ২১ বছর। মেজবান : সে কিছু বলে না? এতগুলো বিয়ে করলেন যে? শামসুদ্দিন : না! তারা আমাকে বোঝে। মেজবান : আপনি কয় বছর পরপর বিয়ে করেছিলেন? শামসুদ্দিন : ২২ বছর বয়সে ১ম বিয়ে। ২৭ বছরে ২য় বিয়ে। ৩২ বছর বয়সে ৩য় বিয়ে। আর ৩ বছর আগে ৪র্থ বিয়ে। মেজবান : মেয়ে কি আপনিই পছন্দ করতেন? শামসুদ্দিন : না! আমার পুর্বের স্ত্রীরাই মেয়ে ঠিক করে আমাকে বলত, বিয়ে করতে হবে, তারা মেয়ে ঠিক করেছে! মেজবান : এটা কীভাবে সম্ভব? কারণ কি? শামসুদ্দিন : কারণ প্রচুর মেয়ে অবিবাহিত। তাদের কাউকে ভাল লাগলে তাকে যেন আমি বিয়ে করি আমাকে দাবি করে বসতো। মেজবান : কোন স্ত্রীকে বেশি ভালোবাসেন? শামসুদ্দিন : সবাইকে!! তবে যে স্ত্রী বেশি দ্বীনি দাওয়াহ-এর ফিকির করেন, তাকে বেশি ভালো লাগে। মেজবান : কোনজন সে? শামসুদ্দিন : একেক সময় একেকজন বেশি ফিকির করেন। যার মধ্যে বেশি দ্বীনি চিন্তা ফিকির দেখি, তার প্রতি মহব্বত একটু বেশি আসবে, এটাই স্বাভাবিক। মেজবান : আচ্ছা! শামসুদ্দিন : আমার একেক স্ত্রীর একেক বৈশিষ্ট্য। প্রথম স্ত্রী ইংরেজি জানে। তাকে নিয়ে ইউরোপে দাওয়াতের কাজ করব। ২য় স্ত্রী ফ্রেঞ্চ জানে। তাকে নিয়ে ঐ অঞ্চলে যাবো। আর ৩য় স্ত্রী আরবী জানে, বাংলাও একটু আধটু শিখাচ্ছি। আর ৪র্থ স্ত্রী উর্দু, হিন্দি জানে। মেজবান : মা শা আল্লাহ! শামসুদ্দিন : তুমি বিয়ে করছ না কেন? মেজবান : বাবা বলেছেন, ফুল এডুকেশন শেষ হবে, এরপর বাহিরে যেতে হবে পড়তে, এরপর নাকি! (অর্থাৎ বুড়া হলে! হায়রে কালচার! ধিক!) শামসুদ্দিন : না! করে ফেল!!! রিযিক বেড়ে যাবে! ঈমান পুর্ণ হবে! মেজবান : জী, দুয়া করবেন। ইতিমধ্যে আমরা গন্তব্যস্থানে পৌঁছে গেলাম।

শিক্ষণীয়

অনেক মেয়ে অবিবাহিত, বিধবা কিন্তু দ্বীনদার। তাদের নিরাপত্তার জন্য নিজ স্বামীকে ভাবতে পারাটা অত্যন্ত উঁচু মাপের আল্লাহ প্রেমিকের চরিত্রমাধুরি। যদি বলেন এটা মেয়ে হিসেবে মানা যায় না, বলবো, মিথ্যা! এটা এই দেশের হিন্দুয়ানা কালচারের প্রভাব, যা আপনার অন্তরে লালন হচ্ছে। কিক দিস ভোগাস কালচার।

এখনো বিয়ে করনি বা করতে ভয় পাচ্ছ?

তোমরা যারা এখনো বিয়ে করনি বা করতে ভয় পাচ্ছ !!! …গত সপ্তাহে ছোট ভাইয়ের বিয়ে হলো আলহামদুলিল্লাহ। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয় পাবলিক প্ল্যাটফর্মে শেয়ার না করার চেষ্টা করি, তবে এ ব্যাপারটা শেয়ার করতে চাচ্ছি। কেউ ইন্সপায়ার্ড হলে জাযা পাবো, ইনশা’আল্লাহ। বিয়ের আয়োজনটার কয়েকটা উল্লেখযোগ্য পয়েন্ট: ১. এ বছরের শুরুতে মেয়ের বাবার সঙ্গে কথা বলা শুরু হয়। মেয়ের বাবা-মা শুধু দ্বীন পরিপালনের জন্য মেয়েকে বয়স হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে দেয়ার ব্যাপারে ছোট থেকেই মেয়েকে বুঝাতে থাকেন। আল্লাহর কাছে দুয়া করতে থাকেন, তাহাজ্জুদে অশ্রু ঝরান। যে সমাজের অলিখিত সংবিধান হলো – ছেলেদের তিরিশের আগে আর মেয়েদের পঁচিশের আগে বিয়ে নয় – সে সমাজে অবস্থাসম্পন্ন মানুষকে এ সংস্কৃতি ভাঙতে যথেষ্ট যুদ্ধ করতে হয়। ২. উভয় পরিবার রাজী হওয়া সত্ত্বেও ছেলে-মেয়েকে একে অপরকে দেখে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ দিতে সময় নেয়া হয়। ৩. বিয়েতে যত বিষয় নিয়ে বাক-বিতণ্ডা হয়ে থাকে, যেমন – মহরানা, উপহার, দাওয়াতের লোকজন ইত্যাদি – সেসব বিষয়ে উভয় পক্ষের আলাপ শেষ হয় মাত্র চার-পাঁচ মিনিটে। কোনো তর্ক নেই, কোনো বিবাদ নেই। ৪. বিয়ে হয় মসজিদে, খুতবা দিয়ে। বিয়ের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বলার চেষ্টা করি: – বিয়ে একটি ইবাদাহ, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম। হাদীসের ভাষায় দ্বীনের অর্ধেক। কারণ বিয়ের মাধ্যমে শরীয়তের বর্জনীয় বিষয়গুলো সহজ হয়ে যায়। যেমন, গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড, যিনা-পরকীয়া, মাদক, ধর্ষণ ইত্যাদি। শরীয়ত কিছু বিষয় করার নির্দেশ দিয়েছে, আর কিছু বিষয় না করার/ বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। বিয়ে সেই ‘না করার’ বিষয়গুলোকে সহজ করে দেয়। – বিয়ে একটি হালাল সম্পর্কের সূত্রপাত। হালালকে একেবারে সহজ করে দেয়া উচিত। হালাল যখন কঠিন হয়ে যায়, হারাম তখন সহজ হয়ে যায়। ঠিক যেমন, পানির পাইপে যেদিক দিয়ে পানি বের হবে সেটা যদি বাধাগ্রস্ত করা হয়, তখন পানি অন্য দিক দিয়ে এলোমেলোভাবে বের হওয়ার পথ করে নিবে। একইভাবে হালাল সম্পর্ক যখন সমাজে কঠিন, সেখানে গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড, ধর্ষণ, এসিড, অবৈধ প্রেম ইত্যাদি বাড়বেই। এখন আপনার পছন্দ, আপনি কোনটা সহজকরণে অবদান রাখবেন! – মহরানার অস্বাভাবিকতা, হলুদ-বিয়ের অনুষ্ঠানে অত্যধিক ব্যয়, ফটোগ্রাফি ইত্যাদিতে বড় অংকের ব্যয় – ইত্যাদি বিয়ের বারাকাহ নষ্ট করে দেয়। আপনার ইচ্ছে, আপনি বিয়ের বারাকাহ বাড়াবেন, নাকি শো-অফে অর্থ ব্যয় করবেন! – মহরানা = সম্মান নয়। বেশি মহরানা = বেশি সম্মান দেয়া নয়। মহরানা = মূল্য নয়। কাজেই বিষয়টা নিয়ে বাড়াবাড়ি করা ঠিক নয়। – তিরিশের আগে ছেলেদের বিয়ে নয়, মেয়ের মাস্টার্স পাশের আগে বিয়ে নয়, ছোট বোনের বিয়ে বাকি রেখে প্রাপ্ত বয়স্ক ভাইয়ের বিয়ে নয়, বড় ভাইয়ের আগে ছোট ভাইয়ের বিয়ে নয় – এ সবই কুসংস্কার। – আজ আপনি যা করবেন, বিশ বছর পর তা-ই সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়াবে। এখন আপনার ইচ্ছে, আপনি সুসংস্কারের স্রষ্টা হবেন নাকি কুসংস্কারের মডেল হবেন! – বিয়ে একটি সামাজিক দায়িত্ব। আমরা যারা সমাজে বিয়েকে কঠিন করে রাখছি, কিয়ামতের দিন সবাই জিজ্ঞাসিত হবেন। আপনার চয়েস, সেদিন নিজেকে বাঁচাবেন নাকি আজ বিয়েকে কঠিন করতে ভূমিকা রাখবেন! — আলহামদুলিল্লাহ বিয়ের পর কয়েকজন তাদের সন্তানকে দ্রুত বিয়ে দেয়ার আগ্রহ জানিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা সবাইকে তাওফীক দিন। আমীন।

বিবাহ ও দাম্পত্য বিষয়ক বই

১- আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য- শাইখ আব্দুল হামিদ ফাইযি মাদানি- ৯০/= ২- বিয়ে- সপ্ন থেকে অষ্ট প্রহর-মির্জা ইয়ওয়ার বেইগ- ১১০/= ৩- বিয়ে- রেহনুমা বিনতে আনিস- ২০০/= ৪- ভালোবাসার চাদর- ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস- ২১৬/= ৫- আদাবুজ জিফাফ বা বাসর রাতের আদর্শ- শাইখ আলবানি (রঃ)- ১০০/= ৬- তালাক ও তাহলীল- ডঃ আসাদুল্লাহ আল গালিব- ৩০/= ৭- ইসলামী বিবাহ পদ্ধতি ও স্বামী- স্ত্রীর দাম্পত্য জীবন-শাইখুল হাদীস আহমাদুল্লাহ রাহমানী নাসিরাবাদী-৫০/= ৮-অনুরোধটুকু রেখো-রচনায়ঃ মুসাফির আব্দুল্লাহ- ১১০/- টাকা ৯-দুই তিন চার এক(ইসলামে বহু বিবাহ) -ড. আবু আমীনাহ বিলাল ফিলিপ্স-১৫৫/= ১০- নারী ও পুরুষ ভুল করে কোথায় -আল বাহি আল খাওলি-২০০/= . ১। বিবাহ – মুফতি ত্বকী উসমানী ২। বিয়ে স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর – মীর্জা ইয়াওয়ান বেগ ৩। পরিবার ও পরিবারিক জীবন – মাওলানা আব্দুর রহীম রহ. ৪। নববধূর উপহার – মুফতি রুহুল আমীন যশোরী ৫। আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য – শাইখ আব্দুল হামিদ ফাঈযী ৬। বিয়ে – রেহনুমা বিনতে আনিস ৭। বিয়ের ইন্টারভিউ – আনোয়ার হোসাইন মজুমদার ৮। বিয়ের উপহার – অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ৯। ইসলামে বিয়ে, তালাক ও যৌনবিধান – মাওলানা যফিরুদ্দিন ১০। আদাবুয যিকাফ বা বাসর রাতের আদর্শ – তাওহীদ প্রকাশনী ১১। ২ ৩ ৪ ১ – সিয়ান প্রকাশনী ১২। ইসলামে পারিবারিক জীবন – আব্দুশ শহীদ নাসিম ১৩। বিয়ে নিয়ে কিছু কথা – শাইখ ড. আলী তানতাবী ১৪। লাভ ম্যারেজ – শাইখ ড. আলী তানতাবী ১৫। লেট ম্যারেজ – শাইখ ড. আলী তানতাবী ১৬। ইসলামী বিবাহ- মাওলানা আশরাফ আলী থানভী ১৭। তুমি সেই রাজা তুমি সেই রানী – মাওলানা আবদুল মাজেদ দরিয়াবাদী 18. Winning the Heart of your Husband – Shaykh Ibrahim Ibn Saleh Al Mahmud 19. Winning the Heart of your Wife – Shaykh Ibrahim Ibn Saleh Al Mahmud  

আইডিসির সাথে যোগ দিয়ে উভয় জাহানের জন্য ভালো কিছু করুন!

আইডিসি এবং আইডিসি ফাউন্ডেশনের ব্যপারে  জানতে  লিংক০১ ও লিংক০২ ভিজিট করুন।

আইডিসি  মাদরাসার ব্যপারে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

আপনি আইডিসি  মাদরাসার একজন স্থায়ী সদস্য /পার্টনার হতে চাইলে এই লিংক দেখুন.

আইডিসি এতীমখানা ও গোরাবা ফান্ডে দান করে  দুনিয়া এবং আখিরাতে সফলতা অর্জন করুন।

কুরআন হাদিসের আলোকে বিভিন্ন কঠিন রোগের চিকিৎসা করাতেআইডিসি ‘র সাথে যোগাযোগ করুন।

ইসলামিক বিষয়ে জানতে এবং জানাতে এই গ্রুপে জয়েন করুন।